Home Login Register
আপনাদের প্রয়োজনে আমাদের এডমিনদের সাথে ফেসবুকেযোগাযোগ করতে পারবেন।

রহস্যময় বাংলাদেশ [part 2]

Home / Others / রহস্যময় বাংলাদেশ [part 2]

dipdey › 4 months ago

Open On Android App
যখন নিজের পোস্ট কপি করে খুব খারাপ লাগে।আমি twicebd তে পোস্ট করছি।তা কপি করছে।wizbd এর নতুন অথর। আমার পোস্টের লিংক আমার পোস্ট এর লিংক কপি পোস্ট এর লিংক কপি করা পোস্টর লিংক যে কপি করতে তাকে বলছি কপি করলে যার পোস্ট কপি করছো তার নাম দিবা।

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড

দক্ষিণে বাংলাদেশের যেখানে সুন্দরবন শেষ, সেখান থেকেই শুরু সমুদ্রযাত্রা। এ যাত্রায় আরো ১৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলেই দেখা মেলে নীল জলরাশির বিস্তীর্ণ রাজ্য, যার নাম সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। অর্থাৎ যার কোনো তল নেই। বঙ্গোপসাগরের এক লাখ ৭৩ হাজার ৮০০ হেক্টর এলাকা নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত এলাকা ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ বা SONG, যা বিশ্বের ১১টি গভীরতম ক্যানিয়নের মধ্যে অন্যতম, যা এক লাখ ২৫ হাজার বছর আগে তৈরি হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এটি একটি সামুদ্রিক অভয়ারণ্য। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামকরণ করা হয়েছিল কারণ, যেখান থেকে এ অঞ্চলের শুরু সেখানেই হঠাৎ পানির গভীরতা বেড়ে গেছে। তাই ব্রিটিশদের ধারণা ছিল, সমুদ্রের এই খাদের কোনো তল নেই। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে স্থানীয়রা বলে ‘নাই বাম’। কারণ, তারা সাগরে ফুট কিংবা মিটারে হিসাব না করে বাম, দশ বাম, বিশ বাম, আর ওই জায়গা নাই বাম, মানে এই জায়গাটির কোনো হিসাব নেই, যা মারিয়ানা ট্রেঞ্চের মতো। বাংলায় বলে অতলস্পর্শী। বঙ্গোপসাগরের মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে পরিচিত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে মাছের পাশাপাশি আছে বিশাল আকারের তিমি, ডলফিন, হাঙর, কচ্ছপ আর বিরল প্রজাতির কিছু জলজপ্রাণী। প্রায় দেড় হাজার বর্গমাইলের বিস্তীর্ণ এলাকাটি বিরল জীববৈচিত্র্যের নিরাপদ প্রজননকেন্দ্র, যা প্রস্তাবিত ব্লু ইকোনমির জন্য হয়ে উঠতে পারে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ওই এলাকায় সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে এমন তথ্য দিচ্ছেন গবেষকরা। আর এর নামকরণের পেছনে রয়েছে একটি রহস্য, আঠারোশ শতকের শেষ দিকে ডুবে যাওয়া একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের কোনো নিশানা না পেয়েই এর নাম দেয় সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, যা সংক্ষেপে গবেষকরা সুন্দর নামও দিয়েছেন— সং। এ অঞ্চলে রয়েছে তিমি, ডলফিন, সবচেয়ে বড় ইরাবতী ডলফিন, ইন্দো-প্যাসিফিক ডলফিন ও পাখনাহীন ইমপ্লাইস ডলফিনসহ বহু সামুদ্রিক প্রাণী। এটি পৃথিবীর একমাত্র সোয়াচ, যেখানে এই তিনটি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী একসঙ্গে দেখা যায়। সুন্দরবনের দুবলারচরের দক্ষিণাঞ্চলে ক্রমে এগিয়ে গেলে এক হাজার ৭৩৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার দীর্ঘ উপত্যকাটি। এটি তিমি, ডলফিন, হাঙর ও কচ্ছপের প্রধান প্রজননক্ষেত্র।মেঘনা নদী আর সাগরের মিলিত হওয়ার সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড জায়গা বা মোহনাকে উপনিবেশ শাসনামলে ব্রিটিশরা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা অতলস্পর্শী নামকরন করেন। তৎকালীন ব্রিটিশদের মতে সমুদ্রের এই জায়গাটির কোন তল বা সীমা নেই। অনেকে আবার সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ বলে মনে করেন। প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার বছর পূর্বে তৈরি হওয়া এই সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর গভীরতা পরিমাপ করা আজো সম্ভব হয়নি। যা কোনদিন সম্ভব হবে কিনা সেটাই এক রহস্য।

About Author


Author
Total Post: [15]
জান এবং জানায়।

9 Responses to “রহস্যময় বাংলাদেশ [part 2]”

  1. atoliulla says:

    Gd আমি ইডিট করব তোমার পোষ্ট টা পরে।এখন আমি মাদ্রাসায় যাব!

  2. ভালো

  3. atoliulla says:

    কোড গুলো টিক টাক হয়নি

Related Posts

Categories

twicebd-2019
Developed by~Twicebd Team